শুরু হতে চলেছে এশিয়া কাপ ২০২৫ টি২০। তার আগে আদ ছিল সমস্ত টিমগুলির অধিনায়কদের যৌথ প্রেস কনফারেন্স (সাংবাদিক সম্মেলন)। এই সম্মেলনে বহু মহলের নজর ছিল ভারত ও পাকিস্তানের অধিনায়কদের দিকে। খুব তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এদিন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আলি আঘার মাঝে বসতে দেখা গেল আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খানকে। এখানেই শেষ নয়। প্রেস কনফারেন্সে আরও বেশ কিছু দৃশ্য কার্যত নজর কেড়েছে।
এদিনের অনুষ্ঠানে ওমানের অধিনায়ক যতিন্দর সিং, হংকংয়ের অধিনায়ক ইয়াসিম মুর্তজা, পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আঘা, আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খান, ভারতের অধিনায়ক সূর্য কুমার যাদব, শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চারিথ আসালঙ্কা, বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের অধিনায়ক মুহাম্মদ ওয়াসিম, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি মহসিন নাকভি উপস্থিত ছিলেন। যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনের পর এদিন দেখা যায়, পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আঘা সৌজন্য হ্যান্ডশেক বা গলা জড়ানোর জন্যও অপেক্ষা করেননি। তিনি প্রেস কনফারেন্স শেষ হতেই সোজা দরজার দিকে হাঁটতে থাকেন। অন্যদিকে, দেখা যায় ভারতের অধিনায়ক সূর্য কুমার যাদব, বাকি সকলের সঙ্গে হ্যান্ডশেক, গলা জড়ানোর মতো সৌজন্যবোধ ধরে রেখেছেন। এই এশিয়া কাপের শুরুতেই ভারত-পাক অধিনাকদের পদক্ষেপের এই ছবি ক্যামেরার লেন্সকে ফাঁকি দিতে পারেনি!
প্রেস কনফারেন্স শেষে সূর্যকে দেখা যায় আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খানকেও জড়িয়ে ধরতে। তবে তারই মাঝে কার্যত ভারত ও পাকিস্তানের অধিনায়করা আজ বুঝিয়ে দিয়েছেন দুই শিবিরের হাওয়া কেমন? উল্লেখ্য, বুধবার ইউএই-র বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ রয়েছে ভারতের। এরপরই ভারত-পাক ম্যাচ। পহেলগাঁওতে হামলার পর, অপারেশন সিঁদুরে পাক ভূমের ৯ জঙ্গি শিবির ভারতীয় সেনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর, এই প্রথম ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেট শিবির হবে ২২ গজে মুখোমুখি।

ভারত অধিনায়ককে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তার খেলোয়াড়দের আগ্রাসন নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়েও জিজ্ঞাসা করা হয়, তবে সেই প্রশ্নের ফাঁদ সন্তর্পণে এড়িয়ে যান সূর্য। স্কাই সাফ জানিয়েছেন,’মাঠে আগ্রাসন সবসময় থাকে এবং জিততে চাইলে আগ্রাসন ছাড়া কিছু করার নেই।’ একই প্রশ্নে পাকিস্তানের অধিনায়ক আঘা বলেছেন,’কেউ যদি আক্রমণাত্মক হতে চায়, সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার। আমার পক্ষ থেকে আমি কাউকে কোনও নির্দেশনা দিই না।’