টি-টোয়েন্টি সর্বোচ্চ রান: ইংল্যান্ড যে দু’উইকেটে ৩০৪ রান তোলে, তা পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। শীর্ষে আছে জিম্বাবোয়ে (৩৪৪ রান)। দ্বিতীয় স্থানে আছে নেপাল (৩১৪ রান)। স্বভাবতই টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সর্বোচ্চ রান করল ইংল্যান্ড। আর সার্বিকভাবে পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে চতুর্থ সর্বোচ্চ স্কোর। ইংল্যান্ডের মাটিতে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সর্বোচ্চ স্কোরের নজির গড়ল ইংল্যান্ড।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ স্কোর: ফিল সল্ট যে ৬০ বলে অপরাজিত ১৪১ রান করেন, তা পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। যিনি নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন। সার্বিকভাবে পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সপ্তম সর্বোচ্চ রান করলেন সল্ট। আর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কোনও ব্যাটসম্যান টি-টোয়েন্টিতে এত রান করতে পারেননি।৩০৪ রানের মধ্যে ইংল্যান্ডের ২২৮ রানই এসেছে বাউন্ডারিতে। যা পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তৃতীয় সর্বোচ্চ। মোট ৩০টি চার মেরেছেন ইংরেজরা। যা যুগ্মভারে সর্বোচ্চ। মোট বাউন্ডারির সংখ্যা হল ৪৮ (৩০টি চারের পাশাপাশি ১৮টি ছক্কা হাঁকান ইংরেজ ব্যাটাররা)। যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। শীর্ষে আছে জিম্বাবোয়ে (৫৭)।১৪৬ রানে জিতেছে ইংল্যান্ড। যা পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে ইংরেজদের সবথেকে বড় জয়। আর রানের নিরিখে দক্ষিণ আফ্রিকার সবথেকে বড় ব্যবধানে হার। ১৪৬ রানের ব্যবধানে জয়-হারের বিষয়টি পূর্ণ সদস্য দেশগুলির মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। আবার ম্যাঞ্চেস্টারে মোট ৪৬২ রান ওঠে। যা পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অষ্টম সর্বোচ্চ রান। আর ইংল্যান্ডে পুরুষদের কোনও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এটাই সর্বোচ্চ স্কোর।
মাত্র ৩৯ বলে শতরান পূরণ করেন সল্ট। যা পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ইংরেজদের মধ্যে দ্রুততম। ৪৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে চতুর্থ শতরান করলেন সল্ট। তাঁর সামনে আছেন শুধুমাত্র রোহিত শর্মা এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাঁরা পাঁচটি শতরান করেছিলেন। সূর্যকুমার যাদবও চারটি শতরান করেছেন। আবার দ্বিতীয় ওপেনার জুটি হিসেবে পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২০ বল বা তার কম বলে ৫০ রান করলেন সল্ট এবং জস বাটলার। পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে এই প্রথমবার দলের তিন বোলার ৬০ বা তার বেশি রান দিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার কাগিসো রাবাদা, মার্কো জানসেন এবং লিজাজ উইলিয়ামস এত রান খরচ করেন। আবার রাবাদা যে চার ওভারে ৭০ রান দেন, তা প্রোটিয়া বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। সার্বিকভাবে পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে যুগ্মভাবে পঞ্চম সর্বোচ্চ রান খরচ করেছেন রাবাদা।

১৬.২ ওভার ২৫০ রান তুলে ফেলে ইংল্যান্ড। যা পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে যুগ্মভাবে দ্রুততম (যেখানে পরিসংখ্যান আছে)। আবার ১২.১ ওভারে ২০০ রানের গণ্ডি পার করে ফেলে। যা পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দ্বিতীয় দ্রুততম (যেখানে পরিসংখ্যান আছে)। সেইসঙ্গে নয় ওভারেই ১৫০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড। যা পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দ্বিতীয় দ্রুততম।অন্যদিকে ২.১ ওভারে ৫০ রান খরচ করেন উইলিয়ামস। পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ৫০ রান হজম করার নিরিখে তৃতীয় স্থানে আছেন তিনি। ১.৪ ওভারে ৫০ রান হজম করেছিলেন রোমানিয়ার বাসু সাইনি। আর দু’ওভারে ৫০ রান খরচ করেছিলেন মঙ্গোলিয়ার মুনগুন আলতানখুয়াগ। অর্থাৎ আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলির বোলারদের নিরিখে শীর্ষে থাকলেন উইলিয়ামস