১৩ সেপ্টেম্বর মণিপুরে পা রাখতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দীর্ঘসময় ধরে অশান্ত পরিস্থিতির জেরে বিধ্বস্ত এই অঞ্চলের রাজনীতি। শনিবার কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন করতে উত্তর-পূর্বের রাজ্যে যাবেন তিনি। মণিপুর সফরে ৮,৫০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন মোদী। এর মধ্যে রয়েছে চুরাচাঁদপুরে ৭,৩০০ কোটি টাকা এবং ইম্ফলে ১,২০০ কোটি টাকার দুটি প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর সফর সম্পর্কে সাংবাদিকদের উদ্দেশে রাজ্যের চিফ সেক্রেটারি বা মুখ্যসচিব পুণিত গোয়েল জানিয়েছেন, ‘রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হবে।’
কী জানিয়েছেন মণিপুরের মুখ্যসচিব
পুণিত জানিয়েছেন, ‘রাজ্য সরকার পাহাড় এবং উপত্যকা উভয় ক্ষেত্রেই শান্তি ফেরানোর ব্যাপারে মণিপুরের জনগণের প্রচেষ্টার প্রশংসা করছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর রাজ্য সফর রাজ্যে শান্তি, স্বাভাবিকতার পথ আরও প্রশস্ত করবে বলেই বিশ্বাস। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মণিপুরে আসছেন।’
মোদীর সফরসূচি একনজরে
সরকারি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়়ে ১১টা নাগাদ চুরাচাঁদপুরে পৌঁছাবেন। প্রথমে অভ্যন্তরীণভাবে উদ্বাস্তু ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলবেন। এর পর একাধিক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। পাশাপাশি রাজ্য শান্তি স্থলে একটি জনসমাবেশে ভাষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। দুপুর দুটো নাগাদ কাংলা যাবেন মোদী। সেখানে আবারও আইডিপিদের সাথে মতবিনিময় করবেন। এরপর মণিপুরের আরেকটি উন্নয়নমূলক প্রকল্প উদ্বোধন করবেন এবং আরেকটি জনসমাবেশে ভাষণ দেবেন।

কী বললেন রাহুল?
প্রায় দুই বছর ধরে মণিপুর জাতিগত হিংসার শিকার। অবশেষে শনিবার প্রকল্পের উদ্বোধনে এই হিংসাবিধ্বস্ত মণিপুরে পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে মোদীর এই সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই কটাক্ষ করেছেন সংসদের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর কথায়, ‘এটা কোনও বড় ব্যাপার নয়। মণিপুরের সমস্যাটি দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। তাও ভালো যে তিনি এখন সেখানে যাচ্ছেন।’ পাশাপাশি এই প্রসঙ্গে তিনি ফের ভোট চুরির কথা ফিরিয়ে আনেন। কংগ্রেস সাংসদ বলেন, ‘এখন দেশের প্রধান সমস্যা হল ভোট চোরি।’ প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালেই উত্তপ্ত মণিপুরে গিয়েছিলেন রাহুল।