JU girl student post-mortem report। নেহাতই দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ?

Spread the love

জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী অনামিকা মণ্ডলের। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রাথমিকভাবে যা খবর মিলেছে, তাতে অনামিকার দেহে বাহ্যিক কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে তিনি মদ্যপান করেছিলেন কিনা, তা জানতে ভিসেরা পরীক্ষা করা হবে।যদিও কীভাবে জলে ডুবে গেলেন অনামিকা, তা নিয়ে এখনও ধন্দ আছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রামা ক্লাবের যে অনুষ্ঠান ছিল, তাতে অনামিকাও হাজির ছিলেন। কিন্তু রাত সাড়ে ১০ টা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেট লাগোয়া পুকুরে তাঁর দেহ ভাসতে দেখা যায়। দ্রুত তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুরো ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। খাতায়কলমে চার নম্বর গেটের কাছে তিনটি সিসিটিভি থাকলেও পুকুরের দিকে কোনও ক্যামেরার মুখ ঘোরানো ছিল না। ফলে পুকুরের দিকে কী হয়েছে, তা ধরা পড়েনি। যাদবপুর কর্তৃপক্ষের তরফে সাফাই দেওয়া হয়েছে যে বৃহস্পতিবার অতক্ষণ অনুষ্ঠান হওযার কথাই ছিল না। তবে পর্যাপ্ত সংখ্যক যে নিরাপত্তারক্ষী নেই, তা স্বীকার করে নিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে যে টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে, তা আজ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈঠকে বসেছিল। ওই বৈঠকে যোগ দেওয়া এক অধ্যাপক দাবি করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। আপাতত একটাই দাবি, সেটা হল নিরাপত্তা। যাদবপুর ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (জুটা) সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায়ের দাবি, ক্যাম্পাসে যতগুলি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর কথা ছিল, ততগুলি বসানো হয়নি।

তারইমধ্যে নিমতার মেয়ে অনামিকার প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির মেয়ে ছিলেন। মুখে সারাক্ষণ হাসি লেগে থাকত। ছোট থেকে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি মদ্যপান করতে পারেন না বলেও দাবি করেছেন প্রতিবেশীরা। তাঁরাও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *